For Gauri / গৌরীর জন্য

অনেক কথা বলে ফেলেছিলেন, অনেক কথা জমানো ছিলো বুকের মধ্যে, তাই কি গুলিটা ঠিক বুকের মাঝখানে বিদ্ধ হলো ? চারপাশের বিষবাষ্পের মাঝখানেও ওঁর ফুসফুস ভরা ছিল সুবাতাসে, তাই কি গুলিটা ঠিক ফুসফুসকে বিদ্ধ করলো ? ভাবনার স্বচ্ছতাকে গুলিয়ে দেবে বলেই কি তবে গুলিটা লক্ষ্যস্থির করলো মস্তিষ্কের দিকে ?

তিনটে গুলি, যেন একটা চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দিল মানবিক ভারতবর্ষের শুভবোধসম্পন্ন মানুষকে।এই মুহূর্তে তাঁরা সবাই একাত্মতা বোধ করছেন একজন মানুষের সঙ্গে।নিজেকে আইডেন্টিফাই করছেন গৌরী লঙ্কেশ বলে।‘আমিওগৌরী’-এই উচ্চারণ ছড়িয়ে পড়ছে শতমুখে।তাহলে ঘাতকের কী লাভ হলো ? একজনের জায়গায় হাজার কন্ঠ ভাসছে বাতাসে।কে হারলো তবে ? গৌরী হারেননি।তাঁর প্রতিবাদকে একটা ধারাবাহিকতার দিকে এগিয়ে দিয়ে গেছেন

What is happening to our democratic motherland? You can’t eat what you want, you can’t marry whom you want, you can’t say what you want, it will cost you your life if you speak the truth. Freedom of the press is a forgotten expression, stalkers and killers will be after you as soon as you have exposed some injustice that is harming the country. Are we frightened by the raw blood thirst of the powers that be?

Bullets showered… showered bullets…
Not one, not two, seven in a row
Those aimed at Gauri,
pierced deep into our hearts.
Bullets showered… showered bullets…

দরজায় দাঁড়িয়ে আছে ভাড়াটে সৈনিক। মৃত্যু।
মুখ নেই।শিরস্ত্রান।কোমর বন্ধনীতে অস্ত্র।

বসন্ত এসেছে আজ এই দেশে !!

নাহলে এতটা কেন বাতাস বইছে চারপাশে,

বাতাস না ঝড়ের সঙ্কেত ?

“What is this country coming to?” The opening line of Girish Karnad’s compelling play Tughlaq has come back to haunt us. Karnad is among 25 Kannada writers and intellectuals who have been given police protection following the shocking murder of Gauri Lankesh. For thinkers are in danger. Writers, creative artists, teachers, journalists and people who think for themselves stand in the way of the slow destruction of the pluralistic democracy that defines our nation.

“জাতের নামে বজ্জাতি সব / জাত জালিয়াত খেলছ জুয়া”

বিষণ্ণতার সঙ্গে কলমে উঠে আসছে চিরপরিচিত সেই প্রাণের কবি নজরুলের কথা। লিখতে বসেছি শ্রীমতি গৌরী লঙ্কেশ এর কথা। হ্যাঁ শ্রীমতি লিখলাম । ঈশ্বর গৌরী লঙ্কেশ নন। তিনি ঈশ্বর নন মানবী, আমাদের সাধারণ মানবের মাঝে এক মহান মানবী।সত্যি কথাটা স্বীকার করে ফেলি প্রথমেই। তাঁকে চিনতাম না আমি কারণ থাকি বাংলায় লিখি বাংলায় পোমোটারের দৌরাত্ম্যি বাড়ল কমল কি না, আলুর দাম পোনের না পোচিশ কিংবা তিনোমূল সিপিএম বিজেপি ইত্যাদি নিয়ে আলাপ আলোচনায় ব্যস্ত থাকি। গোটা ভারতে কে কোথায় কী কাজ করে চলেছেন তার হদিশ রাখতে যাব কেন মশাই?