দরজায় দাঁড়িয়ে আছে ভাড়াটে সৈনিক। মৃত্যু।
মুখ নেই।শিরস্ত্রান।কোমর বন্ধনীতে অস্ত্র।

পড়শিরা ভাবছে, বাজি ফুটছে,অনন্ত চতুর্দশীর।
রক্ত শুকিয়ে গাঢ়তর হয়ে আছে।
আমি ফিরে আসবো প্রত্যয়ের বাড়িতে
যেখানে প্রতিদিন ফুটে ওঠে
নৈরাশ্যহীন রক্ত গোলাপ, নক্ষত্রমণ্ডলীর
উত্তাপে আর্দ্র হয় তাদের জন্ম।

দাঁড়াতে দাঁড়াতে মৃত্যুর পিঠ ক্লান্ত,
বেঁকে ভেঙে যাবে, শেষ হয়ে যাবে
অন্তিম বারুদ,
তখনও আমি ফিরে আসছি
সদ্যোজাত স্বপ্নদের কাছে –
জীবনের বদলে মৃত্যু শিরোধার্য,
হে প্রিয় দেশ। যেহেতু স্বাধীনতার জন্য জীবন।

রক্ত দেখে উল্লসিত যে সকল মৃত নাগরিক
তাদের জন্যে আজ এপিটাফ –
আমাদের পুনর্জন্ম –
আমাদের পুনরুত্থান ।।

Anita Agnihotri

অনিতা চট্টোপাধ্যায় কলকাতার মেয়ে। প্রেসিডেন্সী কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি পডেছেন। কাজে ও না কাজে ঘুরেছেন পূর্ব ও মধ্য ভারত। সাহত্যের সব ধারাতেই আনা গোনা। অতল স্পর্শ, মহুলডিহার দিন, আয়নায় মানুষ নাই, কবিতা সমগ্র, মহানদী ইত্যাদি চল্লিশটির ও বেশি বই য়ের লেখক। অশ্রুত কণ্ঠস্বরের পাঠোদ্ধার করতে চান। বাঙালি পাঠক কে বিভ্রান্ত করতে অগ্নিহোত্রী পদবী ব্যবহার করছেন ১৯৮২ থেকে।

নানা পুরস্কার। পশ্চিম বংগ বাংলা আকাদেমির সোমেন চন্দ পুরস্কার ফিরিয়েছেন নন্দীগ্রাম গুলিচালনার প্রতিবাদে। বংগীয় সাহিত্য পরিষৎ সম্মাননা, গজেন্দ্র মিত্র স্মৃতি পুরস্কার, শরৎ পুরস্কার, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুবন মোহিনী দাসী স্বর্ণ পদক, প্রতিভা বসু সাহিত্য পুরস্কার এবং ইংরাজিতে অনূদিত গল্প সংকলন, Seventeen এর জন্য Crossword Economist Award ইত্যাদিতে সম্মানিত। সুইডিশ, জার্মান এবং ইংরাজিতে অনূদিত।


The beliefs, views and opinions expressed in this article are those of the author and do not necessarily reflect the opinions, beliefs and viewpoints of Soi or official policies of Soi.