পুরুষ, তাইতো হাজারো ছুতোয় স্পর্শ করেছ আমায়,
কখনো ভয়াল কখনও মুখোশ ছলচাতুরির মায়ায়
ফোটেনি তখনও গোলাপ পূর্ণরূপে,কুঁড়ি ছিঁড়ে নিয়ে শয্যা কার,
ভয়াবহ কোনো চিৎকারে কেঁদে ওঠে,মায়াহীন এক শূন্য বাসরঘর।
নারীর শরীর বাঁচিয়ে রেখেছে ক্ষিদে,বিবর্তনেও তুমি তো সর্বভুক।
পাশবিক তার নজির গড়েছ তুমি,ছড়িয়ে দিয়েছ বিকারগ্রস্ত সুখ।
শুধুই শরীর ?স্বত্বা বিহীন নারী ?চোখের ছোবলে দগ্ধ সে কামনায়,
পড়ে আছি, যেন শিউলি, পায়ের নীচে ,প্রতিবাদহীন ক্লিষ্ট বাধ্যতায়।
আমি ধরিত্রী দহনে শান্ত ,জন্মদাত্রী তোমার আমি সে নারী,
পুরুষ, তোমার স্বর্ণ অঙ্গে আমি ভুলেও কখনও আঘাত হানতে পারি!
চেয়েছ আমার পাখির নীড়ের চোখ, গোলাপ ওষ্ঠে তির্যক বাঁকা হাসি,
তোমার চোখেতে আগুন ছোঁয়ার লোভ,বনলতা হয়ে বারবার ফিরে আসি।
চাই না শুধুই বনলতা সেন হতে,আশ্রয় আমি অনেক দিয়েছি তোমায়,
প্রতিবাদ আজ বেপরোয়া হতে চায়,নারী আমি,জেনো শুধুই শরীর নয়।।

Sabarna Chatterjee

Sabarna Chatterjee has completed higher studies in Computer Technology. She opted to stay away from the corporate rat-race and instead engages in literary and creative pursuits. Her writings have been published in various printed and web magazines.


The beliefs, views and opinions expressed in this article are those of the author and do not necessarily reflect the opinions, beliefs and viewpoints of Soi or official policies of Soi.