Soi-Sabud: Soi-mela Boi-mela 2018 issue/ সই-সাবুদঃ সইমেলা-বইমেলা ২০১৮ সংখ্যা

একটা অদ্ভুত বিষাদ। সারাক্ষণ গায়ে লেগে আছে। কেন ? সে কি আকাশ আজকাল প্রায়ই মেঘলা থাকছে বলে ? কিংবা এই সময়টা মাঠ শূন্য করে দিয়ে হেমন্ত চলে গেছে, আর শীত দাঁড়িয়ে আছে দরজায় সেই জন্যে ?

সন্ধেরাতে বন্ধুর সঙ্গে সিনেমা দেখতে বেরিয়েছিল এক মেয়ে।নেকড়ের দল ধর্ষণ করে তাকে।খেলাচ্ছলে বার করে আনে তার অন্ত্র।ট্রেনে করে ফিরছিল এক কিশোর।সে নাকি গরুর ব্যাপারী, এই অপরাধে মৃত্যুদণ্ড হয় তার।সুরে সুর মেলাতে রাজি হননি যে লেখক, মুখময় কালি নিয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি।পণ দিতে পারে নি যার বাবা, খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া যায় সেই বধূকে। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পরীক্ষা করা যায় গর্ভস্থ ভ্রূণের লিঙ্গ।তারপর পছন্দ মত না হলেই বন্ধ করে দেওয়া যায় তার পৃথিবীর আলো দেখার রাস্তা।এমন করেই হিংসার বিষাক্ত নিঃশ্বাস প্রতি মুহূর্তে ডালপালা ছড়িয়ে দিচ্ছে আমাদের জীবন আর সমাজের অলিতে-গলিতে।ও মেয়ে আমার বাড়ির নয়।ওই কিশোরের ধর্ম আলাদা।

A father asks his daughter:
Study? Why should you study?
I have sons aplenty who can study
Girl, why should you study?

In 1950, when India became a Republic, I was four and my mother was 25. I grew up hearing how my mother – like most girls from upper caste, middle class families – would have been schooled at home and married off in her early teens, but for an unusually liberal father who packed off my mother and her siblings to Rabindranath Tagore’s Shantiniketan. She emerged a graduate after 12 years there and later became a Hindi writer of repute.

If not, I’m amongst the destructors of our own Abode
I’ll let you know I’m not a feminist
It was the environment around which made me persuaded
Impossible it was because Everything I create

বাংলা কথাসাহিত্যের ধারাবাহিকতায় বাণী রায়ের নাম অপরিচিত নয়। তাঁর উপন্যাস, ছোটোগল্প এবং ছোটোদের জন্য লেখা বাঙালি পাঠক কিছুটা পড়েছেন, যদিও তাঁর রচিত গ্রন্থাবলি খুব সহজপ্রাপ্য নয়। কিন্তু তিনি যে কবিতা লিখেছেন সেকথাটি জানা থাকলেও সেই কবিতার বই অধিকাংশ পাঠক চোখে দেখেননি। বাণী রায় কিছু নাটকও লিখেছেন। সেগুলি আরও অপরিচিত। এখানে তাঁর কবিতার কথাই একটু বলা যাক।

১৭ অক্টোবর ১৯৯২। পঁচিশ বছর হলো বাণী রায় আর আমাদের মধ্যে নেই। তাঁর ছোটোগল্পের শেষ সংকলনটি প্রকাশ পেয়েছিল ১৯৮৪ সালে, তিন দশক আগে। কত সহজে, কত অনায়াসেই কথাসাহিত্যিক বাণী রায়কে ভুলে গেছি আমরা। তাঁর জন্মশতবর্ষে দাঁড়িয়ে, প্রয়াণের পঁচিশ বছর পেরিয়ে এসে আজ মনে হয়, বাংলার পাঠকসমাজের এতখানি বিস্মৃতিই কি প্রাপ্য ছিল তাঁর? হিসেব মেলাতে বসে মনে হয়, দীর্ঘ জীবনভর লেখালেখি শুধু তো প্রাচুর্যেই আনেনি তাঁর সৃষ্টির পরিমাণে, জীবনবোধে অন্য এক জাতের সাতেঅ্যর সাদও কি তিনিই দিয়ে যাননি বাঙালি পাঠককে?

সই প্রকাশনা থেকেঃ

কৃষ্ণগহ্বর - অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়
জানলা খোলা আছে - দেবলীনা ত্রিপাঠী
এইবার স্নানপর্ব - নমিতা চৌধুরি
ভুয়ো প্রেম ডট কম- শর্মিষ্ঠা ঘোষ